Share
Link copied
ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ (Aikyashree Scholarship)
বৃত্তি ও শিক্ষার্থী প্রকল্প

ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ (Aikyashree Scholarship): যোগ্যতা, বৃত্তির বিভিন্ন অংশ ও আবেদনের পদ্ধতি

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের ছাতা-বৃত্তি, যার মধ্যে আছে প্রি-ম্যাট্রিক, পোস্ট-ম্যাট্রিক, ট্যালেন্ট সাপোর্ট ও মেরিট-কাম-মিনস অংশ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকাশিত তথ্য ও সংবাদসূত্র মিলিয়ে দেখা হয়েছে, অক্টোবর ২০২৬ পড়তে ১০ মিনিট সংস্থা: পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও অর্থ নিগম (ডব্লিউবিএমডিএফসি)

০১ঐক্যশ্রী কী (What is Aikyashree)?

ঐক্যশ্রী হল পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও অর্থ নিগমের (ডব্লিউবিএমডিএফসি) ছাতা-বৃত্তি, যা বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন, মুসলিম, পার্সি ও শিখ সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের জন্য। এর চারটি অংশ: প্রি-ম্যাট্রিক (প্রথম থেকে দশম শ্রেণি), পোস্ট-ম্যাট্রিক, ট্যালেন্ট সাপোর্ট প্রোগ্রাম (টিএসপি) এবং স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিনস (এসভিএমসিএম) পথ।

০২কারা যোগ্য এবং কোন অংশে কত টাকা

ঐক্যশ্রীর অংশগুলি, যেমন জানা গেছে
অংশআয়সীমান্যূনতম নম্বরজানানো সর্বোচ্চ সুবিধা
প্রি-ম্যাট্রিক (প্রথম–দশম শ্রেণি)২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত৫০% (প্রথম শ্রেণিতে ছাড়)বছরে ১১,০০০ টাকা পর্যন্ত
পোস্ট-ম্যাট্রিক২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত৫০%১৬,৫০০ টাকা পর্যন্ত
ট্যালেন্ট সাপোর্ট প্রোগ্রাম২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত৫০%৪,৯০০ টাকা পর্যন্ত
এসভিএমসিএম (ঐক্যশ্রীর মাধ্যমে)২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত৬০% (উচ্চমাধ্যমিক/স্নাতক); ৫৩% (স্নাতকোত্তর); ৫৫% (ইঞ্জিনিয়ারিং)৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত

আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা, বিজ্ঞাপিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত এবং স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে পাঠরত হতে হবে। যে সূত্রগুলি দেখা হয়েছে, তাতে স্তর ধরে সর্বোচ্চ সুবিধার আলাদা হিসেব নেই।

অঙ্ক ও নম্বরের সীমা এসেছে বৃত্তি-নির্দেশিকা থেকে, যেগুলি সব সময় একে অপরের সঙ্গে মেলে না। বছরের পোর্টাল-বিজ্ঞপ্তিই চূড়ান্ত তথ্যসূত্র।

০৩প্রয়োজনীয় নথি

  • পড়ুয়া বা একজন অভিভাবকের ভোটার আইডি (EPIC)
  • পড়ুয়া ও একজন অভিভাবকের আধার
  • প্রতিষ্ঠান-প্রধানের দেওয়া বোনাফাইড সার্টিফিকেট
  • আয়ের সার্টিফিকেট
  • ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রথম পাতা
  • আগের মার্কশিট এবং ছবি

০৪আবেদনের পদ্ধতি

  1. ঐক্যশ্রী/ডব্লিউবিএমডিএফসি বৃত্তি পোর্টাল খুলে Students Panel বেছে নিন।
  2. নতুন আবেদনের জন্য “Fresh Registration 2026–27” বেছে নিন; যারা আগে থেকে বৃত্তি পাচ্ছে তারা নবীকরণ বিকল্প নিন।
  3. ফর্ম পূরণ করে অনলাইনে জমা দিন।
  4. জমা দেওয়া ফর্মটি প্রিন্ট করে নথির স্বপ্রত্যয়িত কপি-সহ অনলাইন জমা দেওয়ার ৭ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিন।
  5. প্রতিষ্ঠান আবেদন যাচাই করে এগিয়ে দেয়; দেরিতে হার্ড কপি দিলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ঐক্যশ্রীর পোস্ট-ম্যাট্রিক, টিএসপি ও এসভিএমসিএম-এর ২০২৬–২৭ পোর্টাল ২০২৬ সালের ১ আগস্ট খুলেছে এবং ২০২৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হবে বলে জানা গেছে; এটি দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃত করা একটি কলেজের নোটিস থেকে নেওয়া। প্রি-ম্যাট্রিকের তারিখ নিশ্চিত হয়নি।

০৫নবীকরণ ও আবেদনের অবস্থা

  • নবীকরণ: প্রতি বছর নতুন আবেদনের মতোই একই প্রক্রিয়া ও একই নথির তালিকা।
  • অবস্থা: পোর্টালের Student’s Login দিয়ে লগ ইন করুন।
  • বিভিন্ন সূত্রে পোর্টালের দুটি আলাদা ঠিকানা পাওয়া যায়, তাই প্রতিষ্ঠানের নোটিস বা ডব্লিউবিএমডিএফসি-র ওয়েবসাইটে দেওয়া লিংকই ব্যবহার করুন।

০৭প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

কোন কোন সম্প্রদায় এর আওতায় পড়ে?

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন, মুসলিম, পার্সি ও শিখ পড়ুয়ারা।

ফর্মের হার্ড কপি কি জমা দেওয়া জরুরি?

হ্যাঁ। অনলাইনে জমা দেওয়ার ৭ দিনের মধ্যে প্রিন্ট করা ফর্ম ও স্বপ্রত্যয়িত নথি প্রতিষ্ঠানে পৌঁছতে হবে।

ঐক্যশ্রী কি এসভিএমসিএম-এর সমান?

এসভিএমসিএম উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আলাদা প্রকল্প, তবে সংখ্যালঘু পড়ুয়ারা ঐক্যশ্রী পোর্টালের মাধ্যমেও এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

২০২৬–২৭ পর্বের আবেদন কবে বন্ধ হবে?

পোস্ট-ম্যাট্রিক, টিএসপি ও এসভিএমসিএম-এর জন্য ২০২৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বলে জানা গেছে; পোর্টালে নিশ্চিত করে নিন।

এই পাতা নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। বৃত্তির অঙ্ক, তারিখ ও পোর্টাল প্রতি বছর বদলায়; সবচেয়ে সঠিক ও চূড়ান্ত তথ্যের জন্য সরকারি পোর্টাল বা প্রতিষ্ঠানের নোটিস বোর্ড দেখুন।