পশ্চিমবঙ্গ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড (West Bengal Student Credit Card): ঋণের সীমা, সুদ, যোগ্যতা ও আবেদনের পদ্ধতি
১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রাজ্য-সমর্থিত শিক্ষাঋণ, সরকারি পাতায় সুদ ও পরিশোধ নিয়ে কী লেখা আছে এবং ২০২৬ সালে কোন বিষয়গুলি এখনও নিশ্চিত নয়।
০১প্রকল্পটি কী (What is tudent Credit Card Scheme)
পশ্চিমবঙ্গ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড (ডব্লিউবিএসসিসি) প্রকল্প ২০২১ সালের ৩০ জুন চালু হয়। এতে পড়ুয়ারা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে শিক্ষাঋণ পান, আর সুদের একটি অংশ রাজ্য সরকার বহন করে। ২০২৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে ঋণ মঞ্জুরি ১ লক্ষ ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
০২সরকারি পাতায় ঋণের শর্ত
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ঋণের সীমা | জামানত ছাড়া ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত |
| মার্জিন মানি | ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেই |
| সুদ | প্রায় ৪% সরল সুদ, সময়মতো শোধ করলে ১% ছাড় |
| পরিশোধ | ১৫ বছর পর্যন্ত; কোর্সের মেয়াদ এবং আরও ১ বছর স্থগিতাদেশ (মরাটোরিয়াম) |
| বয়স | ৪০ বছর বা তার কম |
| বসবাস | অন্তত ১০ বছর পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা |
| অন্যান্য শর্ত | একজন সহ-ঋণগ্রহীতা লাগবে, এবং প্রতি পড়ুয়াকে একটিই কার্ড |
০৩২০২৬ সালে প্রকল্পের অবস্থা
০৪আবেদনের পদ্ধতি
- ডব্লিউবিএসসিসি পোর্টালে (wbscc.wb.gov.in) নিবন্ধন করে ইউনিক আইডি টুকে রাখুন।
- লগ ইন করে কোর্স ও ফি-র বিবরণ-সহ আবেদন পূরণ করুন।
- প্রতিষ্ঠানের নোডাল অফিসার আবেদন যাচাই করেন এবং উচ্চশিক্ষা দপ্তর তা ব্যাঙ্কের কাছে পাঠায়।
- ব্যাঙ্ক ঋণ মঞ্জুর করে। প্রতিবেদনে রাজ্য, কেন্দ্রীয় ও জেলা সমবায় ব্যাঙ্ক এবং সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্কের নাম এসেছে।
০৫সাধারণত যে নথি লাগে
- ছবি এবং আধার
- ভর্তির চিঠি বা ফি-র কাঠামো
- শেষ মার্কশিট
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ
- ৪ লক্ষ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে প্যান
০৬সূত্রে সূত্রে যেখানে অমিল
- সরকারি পাতায় বলা আছে প্রকল্পটি দশম শ্রেণি থেকে প্রযোজ্য, আবার এ-ও আছে যে নবম শ্রেণি শেষ করতে হবে।
- একটি সংবাদ-ওয়েবসাইটে বয়সসীমা ১৭ থেকে ৪০ এবং নম্বরের কোনও শর্ত নেই বলা হয়েছে, অথচ সরকারি পাতায় শুধু বয়সের ঊর্ধ্বসীমা আছে।
০৭সরকারি লিংক
০৮প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে কত ঋণ নেওয়া যায়?
সরকারি প্রকল্প-পাতা অনুযায়ী ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
জামানত লাগে কি?
কোনও জামানতের উল্লেখ নেই, তবে একজন সহ-ঋণগ্রহীতা লাগে।
২০২৬ সালে কি প্রকল্পটি চালু আছে?
বন্ধ হওয়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি, আবার ২০২৬-এর কোনও নিশ্চিতকরণও নেই। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হেল্পলাইন জানাতে পারবে।
এই কার্ডের সঙ্গে কি পিএম-বিদ্যালক্ষ্মী একসঙ্গে নেওয়া যায়?
এ বিষয়ে কোনও নিয়ম খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুদ-ভর্তুকি সেই পড়ুয়াদের জন্য নয়, যাঁরা আগে থেকেই অন্য ভর্তুকি পান।
এই পাতা নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। সুবিধার অঙ্ক, সীমা, তারিখ ও পোর্টালের মেনু বদলায়; সবচেয়ে সঠিক ও চূড়ান্ত তথ্যের জন্য সরকারি পোর্টাল বা বাস্তবায়নকারী দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
