Share
Link copied
তরুণের স্বপ্ন (Taruner Swapno)
বৃত্তি ও শিক্ষার্থী প্রকল্প

তরুণের স্বপ্ন (Taruner Swapno): প্রকল্পে কী মিলত এবং এখন তার অবস্থা কী

উচ্চমাধ্যমিকের পড়ুয়াদের ট্যাবলেট, স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ কেনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এককালীন অনুদান, যা ২০২৬ সালে বন্ধ বা পর্যালোচনাধীন বলে জানা গেছে।

সংবাদসূত্র মিলিয়ে দেখা হয়েছে, অক্টোবর ২০২৬, প্রকল্পের অবস্থা পর্যালোচনাধীন পড়তে ৭ মিনিট দপ্তর: স্কুল শিক্ষা দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার

০১তরুণের স্বপ্ন কী (What is Taruner Swapno)?

তরুণের স্বপ্ন ছিল পশ্চিমবঙ্গের এমন একটি প্রকল্প, যেখানে উচ্চমাধ্যমিকের পড়ুয়ারা পড়াশোনার জন্য ট্যাবলেট, স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ কিনতে ডিবিটি-র মাধ্যমে একবারে ১০,০০০ টাকা পেত। কাগজপত্রের কাজ স্কুলই করত পড়ুয়াদের হয়ে, আলাদা করে পড়ুয়াদের আবেদন করতে হত না।

বর্তমান অবস্থা: ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের সংবাদ অনুযায়ী রাজ্য সরকার যন্ত্র কেনার এই অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে এবং টাকা স্কুলের পরিকাঠামোয় খরচ হবে। পরবর্তী একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুধু ফোনের অনুদানের বদলে ট্যাবলেট দেওয়ার কথা বলেছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কোনও সরকারি আদেশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে অন্যথা না বলা পর্যন্ত প্রকল্পটিকে আবেদনের জন্য খোলা নেই বলেই ধরে নিন।

০২কারা যোগ্য ছিল

  • পশ্চিমবঙ্গের স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের (একাদশ-দ্বাদশ) পড়ুয়া
  • পরিবারের বার্ষিক আয় ২ লক্ষ টাকার কম, যা স্কুলের মাধ্যমে জমা দেওয়া আয়ের সার্টিফিকেটে প্রমাণিত হতে হত
  • ওটিপি-যাচাই করা মোবাইল নম্বর-সহ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং আধার-সংযুক্ত যাচাই (২০২৫ সাল থেকে বাধ্যতামূলক)

০৩প্রকল্পটি কীভাবে চলত

  1. যোগ্য পড়ুয়াদের তালিকা আয়ের সার্টিফিকেট-সহ স্কুল তৈরি করত।
  2. জেলা প্রশাসন তালিকাগুলি অনুমোদন করত।
  3. প্রত্যেক পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ টাকা জমা পড়ত।
  4. পড়ুয়ারা যন্ত্র কেনার রসিদ জমা দিত।

২০২৫ সালের প্রতিবেদনে কিছু পড়ুয়া অনুদানের টাকা কীভাবে ব্যবহার করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নগদ টাকার বদলে যন্ত্র বা স্কুলস্তরের খরচের কথা পরে যে বিতর্ক হয়, তাতে এটিও ভূমিকা রেখেছে।

০৪এরপর কী হবে

  • ট্যাবলেট বা শিক্ষা-উপকরণ ভাতার মতো কোনও বিকল্প প্রকল্পের জন্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর ও বাংলার শিক্ষা-র ঘোষণার দিকে নজর রাখুন।
  • যে পড়ুয়া ও অভিভাবকরা আগেই অনুদান পেয়ে গেছেন, তাঁদের কিছু করতে হবে না।
  • আগের বছরগুলির কোনও বকেয়া দাবি থাকলে যোগাযোগের জায়গা এখনও স্কুল।

০৬প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

তরুণের স্বপ্ন কি এখনও আবেদন নিচ্ছে?

না। কোনও আবেদনের সময়সীমা খোলা নেই, আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে প্রকল্পটিকে বন্ধ বা পর্যালোচনাধীন বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

পড়ুয়ারা কি নিজে সরাসরি আবেদন করত?

না। যোগ্য পড়ুয়াদের হয়ে স্কুল তালিকা জমা দিত।

এর বদলে কি নতুন কোনও প্রকল্প আসবে?

প্রতিবেদনে ট্যাবলেটভিত্তিক সম্ভাব্য অনুদানের উল্লেখ আছে, তবে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সরকারি আদেশ প্রকাশিত হয়নি।

যারা অনুদান পেয়েছে, তাদের কি তা ফেরত দিতে হবে?

এমন কোনও শর্তের কথা জানা যায়নি।

এখানকার তথ্য সংবাদ-প্রতিবেদন অনুসরণ করে লেখা; রাজ্য এখনও কোনও সমন্বিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। চূড়ান্ত অবস্থান জানতে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের ঘোষণা দেখুন।